আপনি যদি এই প্রবন্ধে এসে থাকেন, তাহলে সম্ভবত আপনি এমন এক অভিভাবক, যার সন্তানকে সদ্য ডিসলেক্সিয়া বলা হয়েছে, বা আপনি সন্দেহ করছেন আপনার সন্তানের ডিসলেক্সিয়া থাকতে পারে।
যেকোনো শিশুকে পড়া শেখানো কঠিন লাগতে পারে, বিশেষত যদি সে প্রচলিত পদ্ধতিতে হাঁসফাঁস করে। তবে দুশ্চিন্তা নয়, আমাদের প্রতিষ্ঠাতা ক্লিফ ওয়েইৎসম্যান ৯ বছর বয়সে ডিসলেক্সিয়া নির্ণয় পেয়ে স্পিচিফাই অ্যাপ বানিয়েছেন ঠিক তাদের জন্য, যারা পড়তে পারে না—তাই ডিসলেক্সিয়া নিয়ে আমাদের হাতে-কলমে কিছু অভিজ্ঞতা আছে!
ডিসলেক্সিয়া কী?
ডিসলেক্সিয়া প্রায় ১৫% শিশুকে প্রভাবিত করে এবং অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী এটি হলো “শব্দ, বর্ণ ও অন্যান্য প্রতীক পড়তে বা বুঝতে অসুবিধা, কিন্তু সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় এর প্রভাব পড়ে না”।
তবে Speechify-এ আমরা ডিসলেক্সিয়াকে শেখার ভিন্নতা বলতে পছন্দ করি। ডিসলেক্সিয়াগ্রস্তরা প্রচলিতভাবে শেখায় হিমশিম খেলেও এটিকে অক্ষমতা নয়, ভিন্নতা হিসেবে দেখা উচিত। তারা বুদ্ধিমত্তায় সমান, অনেক সময় বেশি সক্ষমও হয়, শুধু উপযোগী শেখার কৌশল দরকার, যাতে তারা মাথা তুলে এগোতে পারে।
অতএব, ডিসলেক্সিয়া আসলে শেখার এক ধরনের পার্থক্য, যা শিশু ও বড়দের ভাষা প্রক্রিয়াকরণকে প্রভাবিত করে। সাধারণত ডিসলেক্সিয়াগ্রস্তরা ডিকোডিং-এ সমস্যায় পড়ে, মানে বর্ণ ও শব্দকে সঠিক ধ্বনির সঙ্গে মেলাতে পারে না, তাই পড়া ও বোঝা ধীর হয়ে যায়। শৈশবে ডিসলেক্সিয়া বেশি চোখে পড়লেও অনেক সময় তা নির্ণয় হয় না।
ডিসলেক্সিয়াকে সাধারণত পড়ার সমস্যা বলা হলেও, ব্যক্তি ভেদে এটি ভিন্ন রূপে ধরা দেয়। কেউ মূলত পড়ায়, কেউ বা লেখা, বানান বা শব্দ উচ্চারণে বেশি জড়িয়ে যায়।
শিশুদের মধ্যে ডিসলেক্সিয়ার উপসর্গ
অনেক সময় ডিসলেক্সিয়ার লক্ষণ খুব ছোট (১-২ বছর) বয়সেও চোখে পড়ে, যখন শিশুরা ভাষা শিখতে শুরু করে। ৫ বছরের নিচের শিশুদের মধ্যে এরকম কিছু ভাষা-পিছিয়ে পড়ার লক্ষণ দেখা যেতে পারে:
- কথা বলতে দেরি হওয়া;
- শব্দ গঠনে অসুবিধা ও ভুল উচ্চারণ;
- ধ্বনি এদিক–সেদিক হয়ে যাওয়া;
- শুরুর দিকে তোতলামি;
- বর্ণ, ধ্বনি ও শব্দ মনে রাখতে কষ্ট হওয়া;
- ছন্দ মিলাতে হিমশিম খাওয়া।
তবে, এই বয়সে ভাষা বিকাশে ধীরগতি মানেই ডিসলেক্সিয়া নয় এবং অনেক ডিসলেক্সিয়াগ্রস্ত শিশুর আবার একদমই ভাষাগত সমস্যা নাও থাকতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই, পড়া শেখা (প্রায় ৫-৬ বছর) শুরু হলে উপসর্গ পরিষ্কার হয়। তখন এরকম লক্ষণ দেখা দিতে পারে:
- বয়স অনুযায়ী পড়ার দক্ষতা কম থাকা;
- ছোট শব্দ (যেমন at, am, to ইত্যাদি) বাদ দেওয়া বা ভুল পড়া;
- নিজে পড়তে না চাওয়া, কেউ পড়ে শোনালে বেশি পছন্দ করা;
- তথ্য প্রসেস করতে ধীরে হওয়া;
- হাতের লেখায় কষ্ট (ডিসগ্রাফিয়া);
- ফোনেটিক অনুযায়ী বানানে সমস্যা;
- কথা বলতে গিয়ে থেমে যাওয়া, ঠিক শব্দ খুঁজে না পাওয়া;
- শব্দ উচ্চারণে জড়তা;
- স্কুলে যেতে অনীহা;
আপনার সন্তান বা তাদের শিক্ষক ওপরের তালিকা থেকে অন্তত তিনটি লক্ষণ টের পেলে আমরা পেশাদার মূল্যায়ন করানোর পরামর্শ দিই।
ডিসলেক্সিয়ার অফিসিয়াল নির্ণয় ও শিক্ষাবিষয়ক মনোবিজ্ঞানীর রিপোর্ট আপনার সন্তানের জন্য খুব জরুরি, কারণ তাতেই স্কুল ও পরীক্ষায় দরকারি সুযোগ-সুবিধা (যেমন ল্যাপটপের অনুমতি, বাড়তি সময়) লিখে দেওয়া থাকে। ডিসলেক্সিয়া সাধারণত বংশগত এবং অনেক সময় এক জেনারেশন বাদ দিয়ে আসে, তাই আপনার বা আপনার বাবা–মায়ের থাকলে সন্তানেরও থাকার সম্ভাবনা থাকে।
এই সব উপসর্গের পেছনে বেশিরভাগ সময় শব্দের ধ্বনি ও গঠন বোঝার (ফনেমিক ও ফোনোলজিক্যাল সচেতনতা) দুর্বলতা কাজ করে।
ফোনোলজিক্যাল সচেতনতা কী?
ফোনোলজিক্যাল সচেতনতা হলো কথ্য ভাষায় ধ্বনি চিনতে পারা ও ইচ্ছে মতো বদলাতে পারা। এর মধ্যে পড়ে—ছড়া করা (যেমন cat, bat, mat, pat), শব্দে কতটি মাত্রা (Speech-i-fy) আছে তা হাততালি দিয়ে ধরা, ফনিম চিহ্নিত করা এবং শব্দের শুরু আর শেষের অংশ জুড়ে (যেমন s আর at মিলে sat বানানো) নতুন শব্দ তৈরি করা।
ফনিমিক সচেতনতা কী?
ফনিমিক সচেতনতা হলো কথ্য ভাষার সবচেয়ে ছোট ধ্বনি (ফনিম) শুনতে, আলাদা করতে ও বদলাতে পারা। যেমন: cat শব্দে /c/, /a/, /t/ আলাদা করে শোনা বা kick-এ /k/, /i/, /ck/ ধরতে পারা।
ফোনোলজিক্যাল সচেতনতা অনেক রকম ধ্বনি–একক (যেমন সিলেবল, শুরু, শেষ, ফনিম) বুঝতে শেখায়; আর ফনিমিক সচেতনতা শুধু ফনিম নিয়ে কাজ করে। মানে, ফনিমিক সচেতনতা আসলে ফোনোলজিক্যাল সচেতনতারই একটি অংশ। এই দুটোই শিশুর পড়া ও বানান শেখার জন্য ভীষণ দরকারি।
শিশুর ফোনোলজিক্যাল ও ফনিমিক সচেতনতা আর পড়ার দক্ষতা বাড়ানোর অনুশীলনে যাওয়ার আগে, আগে কয়েকটি সাধারণ টিপস দেখে নিই।
ডিসলেক্সিয়াগ্রস্ত শিশুকে পড়ানোর কিছু সাধারণ টিপস
শেখা ব্যক্তিগত করে তুলুন - ডিসলেক্সিয়ার ধরন ও মাত্রা সবার আলাদা। তাই, কোন পদ্ধতিটি আপনার সন্তানের সঙ্গে বেশি খাপ খায়, তা বুঝে নিয়ে শেখার কৌশল তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সাজিয়ে নিন।
ডান-মস্তিষ্কের কৌশল ব্যবহার করুন - বেশিরভাগ ডিসলেক্সিয়াগ্রস্তের ডান পাশের মস্তিষ্ক বেশি সক্রিয় থাকে, যা অনুভূতি, সৃজনশীলতা ও কল্পনাশক্তি সামলায়। তাই ছবি-ভিত্তিক ভিজুয়াল, আড্ডাধরনের আলোচনা ও সৃজনশীল কাজকর্ম তাদের পড়া শেখায় বেশ সাহায্য করে।
বহু-ইন্দ্রিয় পদ্ধতি নিন - ডিসলেক্সিয়াগ্রস্ত শিশুকে পড়াতে গিয়ে যতটা পারেন শোনা, দেখা, স্পর্শ—সব ইন্দ্রিয় জড়িয়ে নিন। একসঙ্গে অডিও, ভিজুয়াল আর নড়াচড়া ব্যবহার করে শেখানো খুবই ফলপ্রসূ।
খোলাখুলি ও স্পষ্টভাবে শেখান - আপনার সন্তানকে সহজ, পরিস্কার ভাষায় বোঝান। পড়া কী, কেন, কিভাবে—সব খুঁটিনাটি খুলে বলুন, যেন সবাই একই পৃষ্ঠায় থাকে।
এবার আবার মূল জায়গায়, ফোনোলজিক্যাল ও ফনিমিক সচেতনতায় ফিরে আসি।
শিশুদের ফোনোলজিক্যাল ও ফনিমিক সচেতনতা বাড়ানোর উপায়
ডিসলেক্সিয়াগ্রস্তদের ফোনোলজিক্যাল ও ফনিমিক সচেতনতা তুলনামূলক কম থাকে, তাই তারা শব্দ গঠন আর পড়ায় বেশি কষ্ট পায়। এই সচেতনতা বাড়াতে কিছু সহজ, খেলাধুলার মতো অনুশীলন আছে:
ধ্বনি-মাত্রা-ধ্বনি (CVC) শব্দ তৈরি করুন - ডিসলেক্সিয়াগ্রস্তরা ছবিনির্ভর উপকরণে পড়া সহজ পায়। আপনার সন্তানকে কার্ডে বর্ণ লিখতে দিন এবং সঙ্গে ছোট ছবি আঁকতে উৎসাহ দিন। আলাদা সারিতে ব্যঞ্জনবর্ণ ও স্বরবর্ণ সাজিয়ে নিন। তারপর ছয়টি অক্ষর (যেমন c,s,p,o,a,t) দিয়ে cat, pot, sat-এর মতো শব্দ ও ছবির জোড়া বানান। প্রথম শব্দের ধ্বনি চিহ্নিত করে মিলিয়ে নিতে বলুন। অথবা শুধু প্রথম ও শেষ ব্যঞ্জন দিয়ে মাঝের স্বরবর্ণটা বেছে নিতে বলুন। কার্ডে আঙুল চালিয়ে শব্দ আঁকার মতো করে লিখতে বলুন।
ছড়ার গল্প পড়ুন - ডিসলেক্সিয়াগ্রস্তদের জন্য বর্ণ ও ধ্বনির যোগসূত্র ধরা কঠিন হয়। কিন্তু রঙিন বই থেকে ‘Jack and Jill went up the hill’, ‘Humpty Dumpty sat on the wall’-এর মতো ছড়া পড়লে ফোনোলজিক্যাল সচেতনতা বাড়ে। ওদের দিয়ে আরও এমন ছড়া খুঁজে বের করতে বলুন এবং নিজেদের একধরনের ‘ছড়া-ব্যাংক’ বানাতে উৎসাহ দিন।
শব্দাংশের খেলা খেলুন - ডিসলেক্সিয়াগ্রস্তরা শব্দের ভেতরের আলাদা আলাদা ধ্বনি চিনতে কষ্ট পায়, ফলে শব্দ গঠন ভেঙে পড়ে। ছবি কার্ড ব্যবহার করে আপনার সন্তানকে শব্দ জোরে পড়তে বলুন এবং প্রতি শব্দাংশে একবার করে হাততালি দিতে বলুন—এটা ফনিমিক সচেতনতা ও পড়ার গতি দুটোই বাড়ায়।
ডিসলেক্সিয়াগ্রস্ত শিশুদের সাইট-ওয়ার্ড শেখানো
সাইট ওয়ার্ড (যেসব শব্দ শুধু দেখে চেনা যায়, উচ্চারণ ভেঙে নয়) ডিসলেক্সিয়াগ্রস্ত শিশুদের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ। এগুলো সাধারণত ফনেটিক নয়। তাই ফনেটিক শব্দ পারলেও সাইট ওয়ার্ডে এসে গিয়ে অনেকে আটকে যায়। আতঙ্কিত না হয়ে বরং নিচের অনুশীলনগুলো চেষ্টা করুন।
ফটোগ্রাফিক মেমোরি কাজে লাগান - অনেক ডিসলেক্সিক শব্দ নয়, ছবি হিসেবে ভাবেন। এটাকে শক্তিতে পরিণত করুন। আপনার সন্তানকে রঙিন পাতায় শব্দটা দেখে মনে মনে তার একটা ছবি তুলতে বলুন, তারপর চোখ বুজে সেই ছবি কল্পনা করতে বলুন এবং শেষে সেটা লিখে দেখতে উৎসাহ দিন।
সাইট-ওয়ার্ডের সঙ্গে ছবি জুড়ে দিন - গবেষণায় দেখা গেছে, ডিসলেক্সিয়াগ্রস্তরা ছবি মনে রাখায় খুব দক্ষ। তাই সন্তানের দিয়ে কার্ডে শব্দ লিখিয়ে পাশে তার মানে বোঝায় এমন ছবি আঁকতে বলুন—এটা শব্দটাকে মনে গেঁথে রাখতে অনেক সাহায্য করবে।
মেনোমোনিক বানান - মেনোমোনিক বলতে বোঝায়—এমন গান, ছড়া বা মজার বাক্য, যা মনে রাখতে সহায়তা করে। সন্তানকে দিয়ে সাইট-ওয়ার্ড ঘিরে ছোট ছড়া বা গান বানাতে বলুন, এতে তাদের ডান-মস্তিষ্ক, কল্পনা আর সৃজনশীলতা একসঙ্গে কাজ করবে।
এই টেকনিকগুলো দিয়ে শুরু করতে পারেন। আর সবচেয়ে সহজ উপায়—আমাদের ফ্রি অ্যাপ স্পিচিফাই।
ডিসলেক্সিয়াগ্রস্ত শিশুকে পড়াতে স্পিচিফাই ব্যবহার
Speechify তৈরি হয়েছে ডিসলেক্সিয়া-জনিত পড়ার চ্যালেঞ্জ সামলাতে সাহায্য করার জন্য।
আমাদের প্রতিষ্ঠাতা ক্লিফ তৃতীয় শ্রেণিতে ডিসলেক্সিয়া নির্ণয় পান। তার কাছে একটি বাক্য পড়া মানেই যেন চার অঙ্কের গুণ–ভাগ সমাধান করার মতো পরিশ্রম। তিনি পড়তে চাইতেন, কিন্তু পড়া ধরলেই চোখ লেগে আসত।
পরে তিনি অডিওবুকের জাদু আবিষ্কার করেন।
কিন্তু সব বইয়ের তো অডিওবুক নেই। তাই ব্রাউন ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় টানা ৪ বছর ধরে তিনি এমন একটি টেক্সট-টু-স্পিচ টুল বানালেন, যা আজকের Speechify। ক্লিফ নিজের অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ায় Speechify এখন লক্ষ লক্ষ মানুষের পড়ার রাস্তা মসৃণ করে দিচ্ছে।
Speechify-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো বহু-ইন্দ্রিয় শেখা। এটি যখন টেক্সট পড়ে শোনায়, ঠিক সেই অংশটাই স্ক্রিনে হাইলাইট করে। অডিও ও ভিজুয়াল একসঙ্গে হওয়ায় আপনার সন্তান শব্দের উচ্চারণ আর লেখার রূপ দুটোই একসঙ্গে শুনতে–দেখতে পারে। এতে ফনিমিক সচেতনতা ও সাইট ওয়ার্ড শেখা দুটোই দ্রুত এগোয়। ইচ্ছে করলে স্পিড কমিয়ে ১০wpm পর্যন্ত নামানো যায়, ফলে শব্দের প্রতিটি উচ্চারণ খুঁটিয়ে শোনা সম্ভব হয়।
উপরের শেখার অনুশীলনগুলোর সঙ্গেও খুব সহজে Speechify জুড়ে দিতে পারেন। যেমন, CVC শব্দ বা শব্দাংশের ছবি তুলে Speechify-এ দিয়ে পড়ে শোনান। অথবা ছড়ার বইয়ের PDF ভার্সন খুলে ব্যবহার করুন। যেসব শব্দ বুঝতে কষ্ট হয়, সেগুলো হাইলাইট করে রাখতে বলুন, যেন পরে প্রশ্ন করতে পারে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আপনার সন্তান বই শোনার গতি নিজে থেকেই বাড়াতে পারবে, আর আমাদের অটোমেটিক স্পিড র্যাম্পিং ব্যবহার করে ক্রমে এত দ্রুত শুনতে পারবে যে পড়ার চেয়ে শোনা অনেক সহজ লাগবে।
সবশেষে, পড়ায় কষ্ট হলে সন্তানের মনোবল বাড়িয়ে দিন এবং বোঝান—Speechify থাকলে উন্নতি হবেই। পড়ার ভয় থেকে সে হয়তো স্কুলে যেতে গা বাঁচাতে চাইবে, কিন্তু কানে শুনে পড়তে পারলে আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং খুব তাড়াতাড়ি সহপাঠীদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে।
আপনার সন্তান যত বেশি বই শুনে মজা পাবে, ততই সে পড়তে আগ্রহী হবে, জ্ঞানে সমৃদ্ধ হবে এবং ধীরে ধীরে পড়ার প্রতি সত্যিকারের ভালোবাসা গড়ে উঠবে।

